১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত ২০২৪ – বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার

১ ইউনিট বিদ্যুত

বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চাহিদার পাশাপাশি বিদ্যুতের দামও ক্রমশ পরিবর্তিত হচ্ছে। ২০২৪ সালে বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার কার্যকর হয়েছে যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রায়শই জানতে চান “১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত ২০২৪ সালে?” এই আর্টিকেলে আমরা বিদ্যুতের বিভিন্ন স্তরের জন্য নির্ধারিত নতুন দাম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। পাশাপাশি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণ ও এর প্রভাব তুলে ধরা হবে।

বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া

বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করার মূল দায়িত্ব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর ওপর বর্তায়। বিইআরসি প্রতি বছর বিদ্যুতের দাম পর্যালোচনা করে থাকে, যাতে উৎপাদন খরচ, সঞ্চালন খরচ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার হওয়া জ্বালানি যেমন গ্যাস, কয়লা এবং পেট্রোলিয়ামের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুতের দামও বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় বাজারের দামের প্রভাব দেখা যায়। পাশাপাশি, বিদ্যুতের খরচে সঞ্চালন, বিতরণ এবং ট্যাক্সের মতো বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরো পড়ুনঃ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটের দাম কত 

২০২৪ সালে ১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ হার কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশে বিদ্যুতের ট্যারিফ সাধারণত গ্রাহকের ধরন ও তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প এবং কৃষি খাতে বিদ্যুতের আলাদা আলাদা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিম্নচাপ (এলটি) গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের দাম নিম্নরূপ:

  • আবাসিক লাইফ লাইন (০০-৫০ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ৪.৬৩ টাকা
  • প্রথম ধাপ (০০ থেকে ৭৫ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ৫.২৬ টাকা
  • ষষ্ঠ ধাপ (৬০১ ইউনিট থেকে উপরে): প্রতি ইউনিট ১৪.৬১ টাকা

এছাড়া বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য গ্রাহক শ্রেণীর জন্য দাম আলাদা।

১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত – বিভিন্ন গ্রাহক শ্রেণীতে বিদ্যুতের দাম

বিদ্যুতের দাম গ্রাহক শ্রেণীভেদে ভিন্ন হয়। এখানে আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং কৃষি গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের দাম আলাদা করে তুলে ধরা হলো:

আবাসিক গ্রাহক: যারা সাধারণ বাসা-বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের জন্য দাম ধাপে ধাপে বাড়ে। কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য খরচ কম তবে বেশি ব্যবহারকারীদের জন্য খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

  • ০-৫০ ইউনিট: ৪.৬৩ টাকা/ইউনিট
  • ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত: ৫.২৬ টাকা/ইউনিট
  • ২০১-৩০০ ইউনিট: ৭.৫৯ টাকা/ইউনিট
  • ৪০১-৬০০ ইউনিট: ১২.৬৭ টাকা/ইউনিট
  • কৃষি গ্রাহক: কৃষি কাজে ব্যবহৃত সেচ পাম্পের জন্য বিদ্যুতের দাম তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে:
  • ৫.২৫ টাকা/ইউনিট এবং ডিমান্ড চার্জ ৪২.০০ টাকা প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাসে।
  • বাণিজ্যিক ও অফিস: বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের দাম অনেক বেশি:
  • ফ্ল্যাট রেট: ১৩.০১ টাকা/ইউনিট
  • পিক সময়ে: ১৫.৬২ টাকা/ইউনিট

সময়ভিত্তিক বিদ্যুতের দাম – ১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত

বিদ্যুতের ব্যবহার সময়ের ওপর নির্ভর করে আলাদা করা হয়েছে বিশেষ করে বাণিজ্যিক এবং শিল্প গ্রাহকদের জন্য। দিনে বেশি চাহিদার সময়ে (পিক টাইম) বিদ্যুতের দাম বেশি হয়। আর কম চাহিদার সময়ে (অফ পিক টাইম) দাম কম হয়।

পিক সময়: সাধারণত দিনের ব্যস্ত সময় যখন বিদ্যুতের চাহিদা সর্বাধিক থাকে। এ সময়ে বিদ্যুতের দাম অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি।

অফ-পিক সময়: রাতে বা দিনে কম চাহিদার সময়, যখন বিদ্যুতের দাম কিছুটা কম হয়। উদাহরণস্বরূপ বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য পিক সময়ে বিদ্যুতের দাম ১৫.৬২ টাকা/ইউনিট কিন্তু অফ-পিক সময়ে তা ১১.৭১ টাকা/ইউনিট হতে পারে।

বিদ্যুতের দামের পরিবর্তনের কারণ

২০২৪ সালে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি। গ্যাস, কয়লা এবং পেট্রোলিয়ামের উচ্চ মূল্য সরাসরি বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া স্থানীয় উৎপাদন এবং সঞ্চালন খরচ বৃদ্ধি পাওয়াও একটি বড় কারণ। বিদ্যুৎ সরবরাহের অবকাঠামো যেমন নতুন সঞ্চালন লাইন এবং উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করাও মূল্যবৃদ্ধির আরেকটি কারণ হিসেবে দেখা যায়।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব

২০২৪ সালে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষ ও দেশের অর্থনীতির উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। নিম্নে কিছু প্রধান প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হলো:

আবাসিক জীবনে প্রভাব:

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানে ঘরোয়া ব্যবহারে ব্যয় বেড়ে যাওয়া। পরিবারের বিদ্যুতের খরচ বাড়লে দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য খাতে ব্যয় কমাতে হতে পারে। উচ্চ বিদ্যুতের বিলের কারণে ইলেকট্রনিক পণ্য যেমন ফ্রিজ, এসি বা গিজারের ব্যবহার কমানো হতে পারে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের জন্য এটি বেশ চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি:

শিল্প খাতে বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধি উৎপাদন খরচও বাড়িয়ে দেয়। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিদ্যুত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। বিদ্যুতের দাম বেড়ে গেলে তাদের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায় যার ফলে তাদের পণ্যের দামও বাড়তে বাধ্য হয়। এ কারণে শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতাদের উপরই এর প্রভাব পড়ে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাভের পরিমাণ কমে যেতে পারে যা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আরো পড়ুনঃ কিয়াম প্রেসার কুকার এর দাম

কৃষিতে বিদ্যুতের খরচ এবং খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব:

বাংলাদেশের কৃষিখাতেও বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা রয়েছে বিশেষত সেচ কাজে। বিদ্যুতের দাম বাড়লে কৃষকেরা তাদের ফসলের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। সেচের জন্য ব্যবহৃত পাম্পগুলোর বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধির ফলে ফসলের দামও বাড়ে। এর ফলে খাদ্যের দামও বৃদ্ধি পায় যা সাধারণ মানুষের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

বিদ্যুতের বিকল্প উৎস

বর্তমান বিদ্যুৎ খাতে উদ্ভূত সমস্যাগুলোর সমাধানের একটি প্রধান উপায় হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোযোগ দেয়া। বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেমন সৌরবিদ্যুৎ এবং বায়ু শক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও নবায়নযোগ্য শক্তি এখনো দেশের বিদ্যুৎ খাতের একটি ছোট অংশ দখল করে আছে, তবে এটি ধীরে ধীরে বাড়ছে। কিছু এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা সফলভাবে গড়ে তোলা হয়েছে এবং এটি বিদ্যুতের মূল্যের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে।

সৌরবিদ্যুৎ:

সৌরবিদ্যুৎ হচ্ছে পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই বিদ্যুতের একটি অন্যতম উৎস। বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে গ্রামীণ এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে বিদ্যুতের অভাব পূরণ করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুতের খরচ কমানো সম্ভব হতে পারে।

বায়ু শক্তি:

বায়ু শক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনও একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প। তবে বাংলাদেশে এখনো এই উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ খুব কম। সঠিক পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে বায়ু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যেতে পারে যা বিদ্যুতের দামে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হতে পারে।

২০২৪ সালের বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার উপায়

যেহেতু বিদ্যুতের দাম বাড়ছে তাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উপায় খুঁজে বের করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নিম্নে কিছু বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার উপায় তুলে ধরা হলো:

  • শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি যেমন এলইডি লাইট, এনার্জি সেভার ফ্যান ইত্যাদি ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ কমে। এ ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতের বিলও কমে যায়।
  • অপ্রয়োজনীয় লাইট ও ফ্যান বন্ধ রাখা: অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি চলতে থাকে যা বিদ্যুতের অপচয় ঘটায়। এ ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার পর বন্ধ রাখা উচিত।
  • সৌরশক্তির ব্যবহার: বাসাবাড়িতে সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুতের সাশ্রয় করা যায়। এর ফলে গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রয়োজন কমে যায় এবং বিদ্যুতের বিলও কম হয়।

২০২৪ সালের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সম্ভাব্য সমাধান

২০২৪ সালে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি হওয়ার ফলে সরকারের নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রয়োজন পড়েছে। বিদ্যুতের দাম কমানোর জন্য নিম্নলিখিত কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:

  • নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি: টেকসই শক্তি উৎপাদনের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত। সৌরশক্তি, বায়ু শক্তি এবং বায়োমাস শক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমবে এবং এর ফলে দামও কমানো সম্ভব হবে।
  • বিদেশি বিনিয়োগ: বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে খরচ কমানো যেতে পারে। বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করা হলে দেশের বিদ্যুৎ সংকট কমে আসতে পারে।
  • কার্যকর সঞ্চালন ব্যবস্থা উন্নয়ন: বিদ্যুতের সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নতি করা গেলে বিদ্যুতের অপচয় কমবে এবং খরচও কমে আসবে। বিদ্যুৎ সঞ্চালনে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের দাম: বাংলাদেশ বনাম অন্যান্য দেশ

বিদ্যুতের দাম শুধু বাংলাদেশেই বাড়েনি বরং আন্তর্জাতিক বাজারেও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন দেশের বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুতের দাম প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় কিছুটা কম হলেও উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ ভারতে বিদ্যুতের দাম বাংলাদেশের মতোই ধাপে ধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির কারণে সেখানেও দাম বেড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলোতে বিদ্যুতের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি। এজন্য বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে মনোযোগ দিয়ে বিদ্যুতের দাম কমানোর চেষ্টা করা উচিত।

আরো পড়ুনঃ বি আর বি তারের মূল্য তালিকা

উপসংহার – ১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত

২০২৪ সালে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং দেশের অর্থনীতির উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। এ সমস্যার সমাধানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমানোর জন্য টেকসই ও নবায়নযোগ্য শক্তির উপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতির ব্যবহার এবং সৌরশক্তির মতো বিকল্প উৎস গ্রহণ করে গ্রাহকরা তাদের বিদ্যুৎ খরচ কমাতে পারেন। সরকারেরও বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ও গবেষণা বাড়িয়ে খরচ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিদ্যুতের দাম কমাতে পারলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং সাধারণ মানুষও আর্থিকভাবে স্বস্তিতে থাকতে পারবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *